জুলাই-সেপ্টেম্বর

জাপানের অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে ২ দশমিক ৩ শতাংশ

জাপানের অর্থনীতি তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সংকুচিত হয়েছে ২ দশমিক ৩ শতাংশ।

জাপানের অর্থনীতি তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সংকুচিত হয়েছে ২ দশমিক ৩ শতাংশ। গতকাল প্রকাশিত দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রফতানি ও সরকারি বিনিয়োগ হ্রাস এ সংকোচনের প্রধান কারণ। প্রাথমিক হিসাবে এ পতন ছিল ১ দশমিক ৮ শতাংশ, সংশোধন করে গতকাল নতুন তথ্য প্রকাশ করা হয়। খবর এপি।

জাপানের জিডিপি তৃতীয় প্রান্তিকে আগের প্রান্তিকের তুলনায় কমেছে দশমিক ৬ শতাংশ। আগের হিসাব অনুযায়ী এ পতন নির্ধারিত ছিল দশমিক ৪ শতাংশে।

রফতানি আগের প্রান্তিকের তুলনায় কমেছে ১ দশমিক ২ শতাংশ। এ হার প্রাথমিক হিসাবের মতোই রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের পণ্য আমদানিতে বাড়তি শুল্ক আরোপ করায় জাপানি রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় সব জাপানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক ২৫ শতাংশের পরিবর্তে ১৫ শতাংশে নামায়। তার পরও গাড়ির ওপর শুল্ক জাপানের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দেখা দেয়। শুল্ক আলোচনা চলাকালে জাপান যুক্তরাষ্ট্রে ৫৫ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেয়।

সরকারের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে প্রাইভেট রেসিডেনশিয়াল ইনভেস্টমেন্ট বা আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমেছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ। আগের মাসে প্রকাশিত প্রাথমিক হিসাবে এ পতন ধরা হয়েছিল ৯ দশমিক ৪ শতাংশ। বিশ্লেষকদের মতে, বছরের শুরুতে জাপানের বিল্ডিং কোডে পরিবর্তন আনা হয়। এ কারণে নতুন বাসভবন নির্মাণে ধীরগতি দেখা গেছে।

একই সময় জাপানের আমদানি কমেছে দশমিক ৪ শতাংশ। তবে ব্যক্তি পর্যায়ে খরচ বেড়েছে দশমিক ২ শতাংশ, যা প্রাথমিক তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

শুল্ক উত্তেজনার কারণে টোকিও-ওয়াশিংটনের সম্পর্কেও টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র জাপানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। এমন পরিস্থিতিতে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের আশা জাগালেও তা বাস্তবে কতটা সম্ভব হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

আরও